Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
গ্রিক দই বনাম সাধারণ দই: প্রোটিন ও প্রোবায়োটিকের জন্য কোনটি বেশি উপকারী? জেনে নিন পুষ্টিবিদদের পরামর্শ   •   বাসিরাম বাজার, নিমতলা নিউ মার্কেট ও রানীগড়-জ্যোতিষপুরের পুজোমণ্ডপে নিরাপত্তা পরিদর্শন, সুরক্ষা বৈঠকে প্রশাসনিক আধিকারিকরা   •   মন্দিরবাজার বাসস্ট্যান্ডে প্রথমবার সার্বজনীন দুর্গাপুজো, সাবেকি আয়োজনেই মাতোয়ারা এলাকাবাসী   •   আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত সূচনা, নজর কাড়ছেন ভারতের অলরাউন্ডার নিকি প্রসাদ   •   নেপালের বিরুদ্ধে ওমানের জার্সিতে শাহ ফয়সালের নজরকাড়া পারফরম্যান্স, কেরিয়ারে প্রথমবার ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট   •   গোসাবার সোনারগাঁওয়ে দুর্গা দেওয়ানী নদীর বাঁধে দেড়শো ফুট ধস, আতঙ্কে এলাকাবাসী! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু মেরামতির কাজ

বারুইপুর পুরসভার বিরুদ্ধে প্রায় ৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, দাবি খারিজ চেয়ারম্যানের

04 Sep 2026
05:41 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: বারুইপুর পুরসভার বিরুদ্ধে প্রায় ৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের দাবি, পুরসভার মোট ৪২টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ১৭টি অ্যাকাউন্টে আর্থিক গরমিলের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।

অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, এই আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে বারুইপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গৌতম দাস এবং চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরী সরাসরি জড়িত। তাঁর দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অবিলম্বে বারুইপুর পুরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করা উচিত। পাশাপাশি রাজ্যের পুরমন্ত্রীর কাছেও বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

তবে বিজেপি নেতার তোলা সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বারুইপুর পুরসভার চেয়ারম্যান শক্তি রায়চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য, কোথায়, কীভাবে এবং কোন খাতে আর্থিক গরমিল হয়েছে—অভিযোগকারীকে তা নির্দিষ্ট করে জানাতে হবে। শুধু অভিযোগ করলেই তার সত্যতা প্রমাণিত হয় না বলেও দাবি করেন তিনি।

চেয়ারম্যান আরও জানান, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী যে শাস্তিই হোক না কেন, তিনি তা মেনে নিতে প্রস্তুত। ফলে প্রায় ৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বারুইপুর পুরসভার প্রশাসন ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল।