Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
ডায়মন্ড হারবার থানা পুজো কমিটির উদ্যোগে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন, উপহার ও হেলমেট বিতরণে উপস্থিত ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার সময় যে ৬টি সাধারণ ভুল করেন অনেকে, জেনে নিন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ   •   মহিলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে নির্ভীক ক্রিকেটের বার্তা শেফালি ভার্মার, আক্রমণাত্মক অথচ কৌশলী খেলায় নজর ভারতের   •   ওমান ও আমিরাতের বিরুদ্ধে লিগ ২-তে বাস ডি লিডের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের নেদারল্যান্ডস দল ঘোষণা   •   মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির নতুন কার্যালয়ের ভূমিপূজন, উপস্থিত দিলীপ ঘোষ-সহ বিধায়ক ও জেলা নেতৃত্ব   •   নন্দীগ্রামে জোয়ার ভরা স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোর শুভ সূচনা, উপস্থিত শুভেন্দু অধিকারী

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান নিয়ে সরব দিলীপ ঘোষ, শিক্ষাঙ্গনে দেশপ্রেমের পরিবেশ গড়ার বার্তা

01 Sep 2026
10:24 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশবিরোধী ভাবধারা ও স্লোগান নিয়ে সরব হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছু নির্দিষ্ট মডিউল ও গোষ্ঠী সক্রিয় ছিল, যারা দেশপ্রেমের পরিবর্তে দেশবিরোধী মানসিকতা ও চরমপন্থী সংস্কৃতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে।

দিলীপ ঘোষের দাবি, সময়ের সঙ্গে দেশের বহু অঞ্চল থেকেই এই ধরনের ‘অপসংস্কৃতি’ বিলুপ্ত হয়েছে। তবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাঙ্গনে এখনও কিছু গোষ্ঠী এই ধরনের ভাবধারাকে ‘প্রগতিশীলতা’ বা ‘আধুনিকতা’র আড়ালে ধরে রাখার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

একইসঙ্গে বাংলায় দেওয়ালে স্লোগান লেখা এবং নিজেদের মতামত প্রকাশের দীর্ঘ ঐতিহ্যের কথাও উল্লেখ করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও দেওয়ালে নিজস্ব চিন্তাভাবনা লেখার সংস্কৃতিকে সম্মান করা উচিত। কিন্তু শিক্ষাঙ্গনের দেওয়াল কিংবা অন্য কোনও স্থানে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা বা প্রচারকে কোনওভাবেই অনুমতি দেওয়া যায় না।

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তাভাবনা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তাই শিক্ষা প্রাঙ্গণে দেশপ্রেম, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

তাঁর বক্তব্যে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষাঙ্গনেও নতুন চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে পরিবর্তন আসবে। দেশপ্রেম ও সুসংস্কৃতির পরিবেশ তৈরি করাই হওয়া উচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির অন্যতম লক্ষ্য।