Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
গঙ্গাসাগরে ৫০ হাজার টাকা তোলাবাজির অভিযোগ বিজেপি নেতা উত্তম মাইতির বিরুদ্ধে, লিখিত অভিযোগের পর আটক   •   দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, সমাজমাধ্যমের পোস্টে বিতর্ক ও বিজেপির অন্দরে প্রশ্ন   •   গকেবেরহা টেস্টের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার একাদশে বদলের ইঙ্গিত শুকরি কনরাডের, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে প্রোটিয়ারা   •   বাসন্তীর নফরগঞ্জে বেহাল আইসিডিএস কেন্দ্র সংস্কারের উদ্যোগ, পঞ্চমীর প্রাক্কালে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন   •   দুর্গাপুজো শুধু আনন্দের নয়, জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকারও: রক্তদানের বার্তা ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার   •   সল্টলেক সেক্টর V-এ মহিষবাথান নারী শক্তির দুর্গাপুজোর শুভ সূচনা, উপস্থিত ড. শরদ্বত মুখোপাধ্যায়

অবৈধ টোটো-অটোর দাপটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, নদিয়ায় চরম দুর্ভোগে নিত্যযাত্রীরা

31 Aug 2026
10:37 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  অবৈধ টোটো ও অটোর দাপট বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন নদিয়া জেলার বেসরকারি বাস কর্মীরা। সোমবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সপ্তাহের প্রথম দিনেই চরম সমস্যায় পড়েছেন হাজার হাজার নিত্যযাত্রী।

বাস কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্য ও জাতীয় সড়কে নিয়মবহির্ভূতভাবে টোটো ও অটো চলাচলের কারণে বাসের যাত্রী সংখ্যা ক্রমশ কমছে। ফলে ডিজেল, মবিল ও বাসের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সামলানোর পর চালক ও কন্ডাক্টরদের উপযুক্ত পারিশ্রমিক দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে দাবি তাঁদের।

আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, অবৈধ টোটো-অটোর চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়ে পরিবহণ দপ্তর, জেলা প্রশাসন, RTO এবং SDO-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে একাধিকবার আবেদন জানানো হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ না করা হলে ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাসকর্মীরা।

এদিকে বাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় নদিয়ার কৃষ্ণনগর, নবদ্বীপ, করিমপুর-সহ বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে। চিকিৎসা, অফিস, ব্যবসা কিংবা অন্যান্য জরুরি কাজে বের হওয়া যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

বিকল্প হিসেবে টোটো ও অটোর উপর নির্ভর করতে গিয়ে অনেক যাত্রীকে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দূরত্বে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যাও আরও বেড়েছে। পর্যাপ্ত সরকারি বাস না থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

বাস মালিক ও কর্মীদের দাবি, নির্দিষ্ট রুটে অবৈধ টোটো-অটোর চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নিলেই সমস্যার সমাধানের পথ খুলতে পারে। অন্যদিকে, ধর্মঘটের জেরে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত কমাতে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে।

ফলে একদিকে বাস মালিক-কর্মীদের দাবি, অন্যদিকে নিত্যযাত্রীদের দুর্ভোগ—দুইয়ের মাঝে এখন নজর প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।