Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
কলকাতার মুরারিপুকুর যুবক সংঘের উদ্যোগে রক্তদান শিবির, উপস্থিত রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য   •   চন্দ্রমল্লিকা ফুল চাষে বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা! কখন চারা লাগাবেন, কীভাবে করবেন পরিচর্যা, জানুন চাষের সম্পূর্ণ পদ্ধতি   •   বিশুদ্ধ মধু আর অর্গানিক মধু এক নয়! মধু কেনার আগে কৃষিবিজ্ঞানীর গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ   •   দুর্গাপূজার প্রাক্কালে নতুন সাজে কলকাতা, সৌন্দর্যায়নে উৎসবের ছোঁয়া   •   মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা

সংস্কৃতের পুনরুজ্জীবন জরুরি, মর্যাদা পুনর্বহালের দাবি দিলীপ ঘোষের

27 Aug 2026
05:37 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য ও ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে সংস্কৃত ভাষার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। রাজ্যে সংস্কৃত শিক্ষার প্রসার এবং ভাষাটির মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে সংস্কৃত ভাষাকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ ভারতীয় ইতিহাস, দর্শন, বিজ্ঞান, জ্ঞানচর্চা ও সভ্যতার বিকাশে সংস্কৃত ভাষার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তাঁর মতে, সংস্কৃত শিক্ষাকে উপেক্ষা করার ফলে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে ভারতীয় ঐতিহ্য ও জ্ঞানভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও সুসংস্কারের পরিবেশ গড়ে তুলতে সংস্কৃত শিক্ষার পুনরুজ্জীবন জরুরি।

পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও সংস্কৃত ভাষার প্রসার গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিলীপ ঘোষের। তাঁর দাবি, রাজ্যে সংস্কৃত ভাষার প্রতি আগের মর্যাদা ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এর গুরুত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থায় আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ভারতীয় ঐতিহ্য ও প্রাচীন জ্ঞানচর্চার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গে সংস্কৃত ভাষার পুনরুজ্জীবন এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সংযোগ আরও দৃঢ় করার আহ্বান উঠে এসেছে।