Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
হাসপাতালের বেডের রিয়েল-টাইম তথ্য আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ   •   মাঝ আকাশে বিপদ, অসাধারণ সাহসিকতায় ১৮০ যাত্রীর প্রাণরক্ষা: ক্যাপ্টেন স্মিতের ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন   •   অসাবধানতাবশত মল বেরিয়ে আসা বা ‘শার্ট’ কেন ঘটে? কারণ, ঝুঁকি ও প্রতিরোধের উপায়   •   দিনের শুরুতেই শরীরকে সক্রিয় রাখতে কার্যকর ব্যায়াম, মূল পেশির শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত হতে পারে শরীরের সমন্বয়   •   বক্সা টাইগার রিজার্ভে বাঘ পুনর্বাসন কর্মসূচি, উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব   •   অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিউজিল্যান্ড দলে একাধিক নতুন মুখ

পটাশপুরে বানভাসি পরিস্থিতি, প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে অগ্নিমিত্রা পাল

18 Aug 2026
09:14 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: টানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর। কেলেঘাই নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় পটাশপুর-সহ বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। একাধিক গ্রামে ঢুকে পড়েছে বন্যার জল। জলমগ্ন রাস্তাঘাটের কারণে ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।

এই পরিস্থিতিতে পটাশপুরের বানভাসি এলাকা ঘুরে দেখেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন এবং ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পটাশপুর-সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবারের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। জলমগ্ন এলাকায় উদ্ধারকাজে নৌকা নামানো হয়েছে।

এদিকে কেলেঘাই নদীর জলস্তর বিপদসীমার কাছাকাছি থাকায় নদীবাঁধ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। নৈপুর, সিংদা, গোকুলপুর, পুসা, কালোবড়-সহ পটাশপুর-১ ব্লকের একাধিক এলাকা জলমগ্ন বলে খবর। বহু গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্গত মানুষদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে নদী ও নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিও জোরালো হয়েছে।

বর্তমানে পটাশপুরের বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ কমানো এবং উদ্ধার ও ত্রাণকাজ দ্রুত করার দিকেই প্রশাসনের মূল নজর।