Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
দমদম পার্কে রক্তদান শিবিরে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার   •   ফলতা ও রামনগর তর্পণ ঘাটে পুণ্যার্থীদের পাশে বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, রাত জেগে সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা   •   মহালয়ার ভোরে জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়: চণ্ডীপাঠ, শিউলির সুবাস আর মা দুর্গার আগমনে নতুন আশার আলো   •   ডারবান টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের দাপট! প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা   •   নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের পেসার   •   নদিয়ার রানাঘাট-ধানতলা থেকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে নানা ধরনের ফুল! ফুল চাষে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা কৃষকদের

জোর করে ধর্মান্তরকরণে কড়া বার্তা, বিরোধী বিল নিয়ে ভাবনা শুরু রাজ্যে

26 Jun 2026
05:02 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - রাজ্যে জোর করে ধর্মান্তরকরণ ইস্যুতে এবার কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত দিলেন বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। লাভ জিহাদ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, কাউকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানোর চেষ্টা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমনকি এই ধরনের ঘটনায় জড়িতদের জেল পর্যন্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে ধর্মান্তরকরণ বিরোধী বিল নিয়ে। সূত্রের খবর, অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও এ ধরনের আইন আনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি, তবুও বিরোধী শিবির এই ইস্যুকে সামনে এনে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, প্রেমের সম্পর্ক বা বিয়ের আড়ালে যদি কাউকে প্রতারণা করে ধর্ম পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়, তাহলে তা মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী। তিনি বলেন, “জোর করে ধর্মান্তরকরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া আইন দরকার।”

অন্যদিকে, শাসকদলের একাংশ এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, রাজ্যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ তৈরির জন্যই এই ধরনের ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্ম ও পরিচয় রাজনীতির প্রশ্ন আরও তীব্র হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরকরণ বিরোধী বিল আদৌ বাস্তবায়িত হয় কি না, এবং তা নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।