Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
নবান্নে ‘লোকতন্ত্র সেনানী’ সম্মান: জরুরি অবস্থায় গ্রেফতার ৩২৫ জনকে সংবর্ধনা, মাসে ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ঘোষণা   •   ঘাটালের শ্যামচকে বন্যা পরিস্থিতি, প্লাবিত বিস্তীর্ণ এলাকা; জলের তলায় চাষের জমি ও বাড়িঘর   •   অভয়ার স্মরণ অনুষ্ঠানে পানিহাটিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ন্যায়বিচারের বার্তা   •   জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে গোবিন্দপুরে শুরু ‘অল বেঙ্গল চেস প্রতিযোগিতা’, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে অংশগ্রহণ প্রতিভাবান দাবাড়ুদের   •   CREDAI Kolkata-র বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য   •   অন্ডালে এসটিএফের অভিযান, বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি; তদন্তের মুখে শেখ সামশের হোসেন

জোর করে ধর্মান্তরকরণে কড়া বার্তা, বিরোধী বিল নিয়ে ভাবনা শুরু রাজ্যে

26 Jun 2026
05:02 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - রাজ্যে জোর করে ধর্মান্তরকরণ ইস্যুতে এবার কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত দিলেন বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। লাভ জিহাদ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, কাউকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করানোর চেষ্টা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমনকি এই ধরনের ঘটনায় জড়িতদের জেল পর্যন্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে ধর্মান্তরকরণ বিরোধী বিল নিয়ে। সূত্রের খবর, অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেও এ ধরনের আইন আনার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি, তবুও বিরোধী শিবির এই ইস্যুকে সামনে এনে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, প্রেমের সম্পর্ক বা বিয়ের আড়ালে যদি কাউকে প্রতারণা করে ধর্ম পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়, তাহলে তা মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী। তিনি বলেন, “জোর করে ধর্মান্তরকরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কড়া আইন দরকার।”

অন্যদিকে, শাসকদলের একাংশ এই মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, রাজ্যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ তৈরির জন্যই এই ধরনের ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্ম ও পরিচয় রাজনীতির প্রশ্ন আরও তীব্র হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে ধর্মান্তরকরণ বিরোধী বিল আদৌ বাস্তবায়িত হয় কি না, এবং তা নিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

news home ads