Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
ফলতা ও রামনগর তর্পণ ঘাটে পুণ্যার্থীদের পাশে বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা, রাত জেগে সেবায় নিয়োজিত কর্মীদের ভূয়সী প্রশংসা   •   মহালয়ার ভোরে জেগে ওঠে বাঙালির হৃদয়: চণ্ডীপাঠ, শিউলির সুবাস আর মা দুর্গার আগমনে নতুন আশার আলো   •   ডারবান টেস্টে প্রোটিয়া পেসারদের দাপট! প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সুবিধাজনক অবস্থানে দক্ষিণ আফ্রিকা   •   নিউজিল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের সিরিজে খেলতে পারবেন না দলের পেসার   •   নদিয়ার রানাঘাট-ধানতলা থেকে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে নানা ধরনের ফুল! ফুল চাষে স্বনির্ভরতার নতুন দিশা কৃষকদের   •   ধানের বদলে শোলা চাষে বাড়তি লাভ! মন্দিরবাজারের কৃষকদের আত্মনির্ভরতার নতুন পথ, পুজোর মরশুমে বাড়ছে চাহিদা

মুহররমের মিছিলে বিপজ্জনক স্টান্ট, ক্রেনে ঝুলিয়ে গাড়ি বিস্ফোরণ! উজ্জাইনে চাঞ্চল্য

26 Jun 2026
12:18 PM

 

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক - মধ্যপ্রদেশের উজ্জাইন জেলার বাদনগরে মুহররম উপলক্ষে এক চাঞ্চল্যকর ও বিপজ্জনক স্টান্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ২৪ জুন ২০২৬ তারিখে মুহররম প্রদর্শনীর সময় একটি গাড়িকে প্রায় ৪০ ফুট উঁচুতে ক্রেনের সাহায্যে ঝুলিয়ে আতশবাজি দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ঘটনাটি মুহূর্তের মধ্যেই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও কৌতূহলের সৃষ্টি করে এবং বহু দর্শক মোবাইলে সেই দৃশ্য ধারণ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়িটি ক্রেনের সাহায্যে আকাশে তোলার পর তাতে লাগানো আতশবাজিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতেই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়া ও আগুনের ঝলকানি। উপস্থিত বহু মানুষ এই দৃশ্য দেখে বিস্মিত হলেও, অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে প্রশাসনের দাবি, এই ধরনের কোনো স্টান্টের অনুমতি নেওয়া হয়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দর্শকদের আকর্ষণ করা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যেই এই বিপজ্জনক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে।

ঘটনার পর পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্ঠানের আয়োজক ও ক্রেনের মালিক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ প্রদর্শনী না হয়, সে বিষয়েও কড়া নজরদারি চালানো হবে।

স্থানীয় প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা শোভাযাত্রার নামে কোনোভাবেই জনজীবন বিপন্ন করা যাবে না। নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারও প্রশ্ন উঠছে—সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতায় মানুষ কতটা ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত, আর প্রশাসনের নজরদারি কতটা কার্যকর?