আদায় থাকা জিঞ্জেরল নামের সক্রিয় উপাদান প্রদাহ কমাতে, গলা ব্যথা উপশম করতে এবং সর্দি-কাশির উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে। গরম আদা-চা বা গরম জলে আদা ফুটিয়ে পান করলে অনেকেই আরাম অনুভব করেন।
শুধু তাই নয়, বর্ষাকালে অনেকেরই হজমের সমস্যা, গ্যাস বা বদহজম দেখা দেয়। আদা হজমে সহায়তা করে এবং বমিভাব কমাতেও কার্যকর বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে। তাই ভারী খাবারের পর অল্প পরিমাণ আদা খাওয়া উপকারী হতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ঘরোয়া উপায়ে সাময়িক আরাম মিললেও এটি কোনও রোগের নিশ্চিত চিকিৎসা নয়। জ্বর দীর্ঘদিন থাকলে, শ্বাসকষ্ট, তীব্র কাশি বা গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
আদা দিয়ে গরম চা।
গরম জলে আদা ফুটিয়ে পান।
রান্নায় আদার ব্যবহার বাড়ানো।
চিকিৎসকের পরামর্শ থাকলে মধুর সঙ্গে অল্প আদা খাওয়া (এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু দেওয়া যাবে না)।
বর্ষার মরশুমে সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত জলপান এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি আদার মতো প্রাকৃতিক উপাদান অনেকের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে কোনও উপসর্গ গুরুতর হলে নিজে ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।