Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
জনসংযোগ দিবসে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ   •   সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার   •   একের পর এক গ্রেপ্তার, উঠছে পুরনো অভিযোগ—সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রকৃত বিচার?   •   ফলতা SEZ-কে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের শিল্পায়নের নতুন পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বপ্ন তুলে ধরলেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   আবাস যোজনার বাড়ির টাকা পেতে ২০ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ! প্রতিবাদ করায় রাজমিস্ত্রিকে মারধর, কুয়োয় ফেলে খুনের হুমকি, বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ   •   সৌন্দর্য ও গ্ল্যামারের মেলবন্ধনে নজর কাড়লেন আয়েশা খান, তাঁর আকর্ষণীয় উপস্থিতিতে মুগ্ধ অনুরাগীরা

সোনাখালীতে বিজেপির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন, সাংগঠনিক উদ্যোগে নজর কাড়লেন প্রদীপ সরদার

05 Nov 2026
06:54 PM



নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: সমাজের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী, শিক্ষিত ও চিন্তাশীল মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং তাঁদের মতামত ও অভিজ্ঞতাকে সাংগঠনিক আলোচনার পরিসরে নিয়ে আসার লক্ষ্যে ১২৮ নম্বর বাসন্তী বিধানসভায় অনুষ্ঠিত হলো ভারতীয় জনতা পার্টির বুদ্ধিজীবী সম্মেলন। সোনাখালীর গীতাঞ্জলি ভবনে আয়োজিত এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থক এবং আমন্ত্রিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। সম্মেলনের সাংগঠনিক আয়োজন ও সমন্বয়ের দায়িত্বে বিশেষভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বাসন্তী বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর প্রদীপ সরদার।

জয়নগর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্রী উৎপল নস্কর মহাশয়ের নির্দেশক্রমে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে কর্মসূচিকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হন ১২৮ নম্বর বাসন্তী বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর প্রদীপ সরদার। সম্মেলনকে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সাংগঠনিক যোগাযোগ, নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং কর্মসূচির প্রস্তুতিতে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সদস্য শ্রী রামকৃষ্ণ প্রামাণিক, বাসন্তী বিধানসভার ইনচার্জ শ্রী অসীম সাফুঁই, জেলা জেনারেল সেক্রেটারি শ্রী সঞ্জয় সিনহা, বাসন্তী বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর প্রদীপ সরদার-সহ বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের উপস্থিতিতে সম্মেলনটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার একটি মঞ্চ হিসেবে গুরুত্ব পায়।

বুদ্ধিজীবী মহলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ

বুদ্ধিজীবী সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করা। শিক্ষক, অধ্যাপক, আইনজীবী, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষের চিন্তাভাবনা ও অভিজ্ঞতা সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

শিক্ষার মানোন্নয়ন, যুবসমাজের ভবিষ্যৎ, কর্মসংস্থানের সুযোগ, সামাজিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য এই ধরনের সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর তৈরি করে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের বক্তব্য শোনা এবং তাঁদের পরামর্শকে গুরুত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের কর্মসূচি সম্পর্কে নতুন ভাবনার সুযোগ তৈরি হয়।

বাসন্তীর মতো বিস্তীর্ণ এলাকার ক্ষেত্রে শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং গ্রামীণ উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে সমাজের অভিজ্ঞ ও চিন্তাশীল মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই সম্মেলনের আয়োজন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

সাংগঠনিক সমন্বয়ে প্রদীপ সরদারের ভূমিকা

একটি সাংগঠনিক কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত করার জন্য শুধু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেই হয় না। প্রয়োজন পরিকল্পনা, দায়িত্ব বণ্টন, যোগাযোগ এবং বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীদের মধ্যে সমন্বয়। জেলা নেতৃত্বের নির্দেশকে বাস্তবে রূপ দিতে বাসন্তী বিধানসভায় এই সম্মেলন আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রদীপ সরদারের ভূমিকা তাই বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে।

১২৮ নম্বর বাসন্তী বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর হিসেবে তাঁর দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে সাংগঠনিক কর্মসূচির সঙ্গে বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীদের যুক্ত করা এবং বিধানসভা এলাকায় দলীয় কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বুদ্ধিজীবী সম্মেলন আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং নির্ধারিত কর্মসূচিগুলিকে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয়তার বিষয়টি দলীয় মহলে আলোচনায় এসেছে। সোনাখালীর গীতাঞ্জলি ভবনে সম্মেলনের আয়োজন সেই সাংগঠনিক কার্যক্রমেরই একটি অংশ।

তবে এই সম্মেলনের গুরুত্ব কেবল একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা এবং তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে আলোচনায় নিয়ে আসার সুযোগ তৈরি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য।

বাসন্তীতে সংগঠন বিস্তারে নতুন উদ্যোগ

বাসন্তী বিধানসভা এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখা যে কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাহিত্যিক এবং অন্যান্য পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সংগঠনের সামাজিক যোগাযোগের পরিসরকে বিস্তৃত করতে পারে।

বুদ্ধিজীবী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেই যোগাযোগ আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সমস্যা, এলাকার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এই ধরনের কর্মসূচি সাংগঠনিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

দলীয় নেতৃত্বের মতে, সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগও প্রয়োজন। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী দিনে আরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

আগামী দিনের কর্মসূচি ঘিরে প্রত্যাশা

সোনাখালীর গীতাঞ্জলি ভবনে অনুষ্ঠিত এই বুদ্ধিজীবী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাসন্তী বিধানসভায় আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সমাজের চিন্তাশীল মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, তাঁদের মতামত শোনা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক বিষয়গুলিকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা সভাপতি উৎপল নস্করের নির্দেশে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রদীপ সরদারের সাংগঠনিক সমন্বয়ের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে। আগামী দিনে এই ধরনের আরও কর্মসূচির মাধ্যমে বাসন্তীর বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ কতটা বিস্তৃত হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।