Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
ধুনুচির তালে খোশমেজাজে তারকারা, পুজোর আবহে জমজমাট তারকাদের আড্ডা   •   কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক ও জনসভা মুখ্যমন্ত্রীর, চোরবাগান দুর্ঘটনায় মৃত স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের কর্মসূচি   •   বাড়িতে মাছ চাষ শুরু করার ১০টি কারণ, অল্প জায়গায় ব্যবসার সুযোগ ও বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা   •   স্বাস্থ্য ভবন থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলির সঙ্গে বৈঠক, হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সুশাসনে বিশেষ জোর   •   নিউ ইয়র্কের পর এবার কলকাতাতেও ঘোড়ায় টানা গাড়ি বন্ধের উদ্যোগ! বিকল্প হিসেবে আসছে ই-ভিক্টোরিয়া?   •   টমেটো গাছের পাতা কুঁকড়ে যাওয়া রোগ দমনের সঠিক সমাধান, ফলন বাঁচাতে কী করবেন চাষিরা?

কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক ও জনসভা মুখ্যমন্ত্রীর, চোরবাগান দুর্ঘটনায় মৃত স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের কর্মসূচি

24 Oct 2026
07:14 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  প্রশাসনিক বৈঠক ও জনসভাকে কেন্দ্র করে শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে উপস্থিত হলেন মুখ্যমন্ত্রী। কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। জনসভা শেষে বিষ্ণুপুর থানার সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে চোরবাগানের দুর্ঘটনায় মৃত স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। প্রশাসনিক কর্মসূচির পাশাপাশি দুর্ঘটনায় মৃত তরুণীর পরিবারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎ ঘিরেও নজর রয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার কাকদ্বীপে অবতরণ করে। এরপর তিনি কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে পৌঁছন। সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে গার্ড অফ অনারও দেওয়া হয়। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এরপর রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠক এবং পরবর্তী সময়ে জনসভার কর্মসূচি রয়েছে।

কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক কর্মসূচি

দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এই বৈঠকে এলাকার উন্নয়ন, সরকারি পরিষেবা এবং প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশাসনিক বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজকর্মের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো বিস্তীর্ণ জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় সরকারি পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলি প্রশাসনিক আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে।

কাকদ্বীপে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলে প্রস্তুতি ছিল। রবীন্দ্রভবনে পৌঁছে প্রতিকৃতিতে মাল্যদান এবং গার্ড অফ অনার গ্রহণের পর তাঁর প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরু হয়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান

কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে পৌঁছে প্রথমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। সরকারি সফরের সূচনায় এই আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টার কাকদ্বীপে অবতরণ করার পর নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী একের পর এক অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রশাসনিক বৈঠক এবং জনসভাকে কেন্দ্র করে এই সফর দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা

রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠক শেষ করার পর কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। জনসভায় কী কী বিষয় উঠে আসে এবং এলাকার মানুষের উদ্দেশে তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকে নজর থাকবে।

জনসভা রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। এলাকার উন্নয়ন, সরকারি প্রকল্প এবং জনস্বার্থের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ থাকে এই ধরনের সভায়। তবে জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের বিস্তারিত বিষয় এখনও সামনে না আসায়, সেখানে কী ঘোষণা বা বার্তা দেওয়া হবে, তা তাঁর বক্তব্যের পরই স্পষ্ট হবে।

জনসভা শেষে সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে যাওয়ার কর্মসূচি

কাকদ্বীপে প্রশাসনিক বৈঠক ও জনসভা শেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর বিষ্ণুপুর থানার সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে যাওয়ার কথা। সেখানে চোরবাগানের দুর্ঘটনায় মৃত স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।

এই সাক্ষাৎ কর্মসূচি সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুর্ঘটনায় পরিবারের একজন সদস্যকে হারানোর পর শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর নির্ধারিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কী আলোচনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি।

স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে নজর

চোরবাগানের দুর্ঘটনায় স্নেহা ভান্ডারীর মৃত্যু ঘিরে তাঁর পরিবারের ওপর নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সেই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে মুখ্যমন্ত্রীর সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে। প্রশাসনিক বৈঠক ও জনসভার মতো নির্ধারিত কর্মসূচির পর এই সাক্ষাৎ সফরের মানবিক দিকটিকেও সামনে এনেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের কী কথা হয় এবং তাঁদের কোনও দাবি বা বক্তব্য উঠে আসে কি না, তা এই সাক্ষাতের পর জানা যেতে পারে। আপাতত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, কাকদ্বীপের কর্মসূচি শেষ করে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই বিষ্ণুপুর থানার সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে যাবেন তিনি।

প্রশাসনিক বৈঠক থেকে জনসভা, তারপর পরিবারের পাশে

শনিবারের সফরে একদিকে রয়েছে কাকদ্বীপ রবীন্দ্রভবনে প্রশাসনিক বৈঠক, অন্যদিকে কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা। এই দুই কর্মসূচি শেষ করে দুর্ঘটনায় মৃত স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে কপ্টারে কাকদ্বীপে পৌঁছনোর পর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও গার্ড অফ অনার গ্রহণের মাধ্যমে তাঁর সফর শুরু হয়। এরপর প্রশাসনিক বৈঠক এবং জনসভার কর্মসূচি সম্পন্ন হওয়ার কথা। সবশেষে সাতগাছিয়ার এগারো গ্রামে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

কাকদ্বীপের প্রশাসনিক ও জনসভামূলক কর্মসূচির পাশাপাশি স্নেহা ভান্ডারীর পরিবারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ঘিরে এখন পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রয়েছে।