সম্পাদকের কলমে : ফোনের পর্দা জ্বলে উঠলেই একের পর এক বার্তা—“শুভ বিজয়া”, “আসছে বছর আবার হবে”, “বিদায় মা”, “ভালো থেকো মা”। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, এসএমএস—সর্বত্র একই সুর। কেউ পাঠাচ্ছেন ফুলের ছবি, কেউ দেবী দুর্গার প্রতিমার ছবি, কেউ আবার লিখছেন হৃদয়ছোঁয়া কয়েকটি লাইন। বিজয়ার শুভেচ্ছায় ভরে উঠছে মুঠোফোন। কিন্তু এই শুভেচ্ছার ভিড়েই যেন একটা প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে—যে দিনটা মাকে বিদায় জানানোর, যে দিনটা মনখারাপের, যে দিনটা চোখের কোণে জল এনে দেয়, সেই দিনটাকে আমরা ‘শুভ বিজয়া’ বলি কেন?
মা তো চলে যাচ্ছেন। ঢাকের বাদ্যি ধীরে ধীরে থেমে যাচ্ছে। আলোর রোশনাই নিভতে শুরু করেছে। প্যান্ডেলের ভিড় কমছে, পরিচিত মুখগুলো ফিরে যাচ্ছে নিজেদের বাড়িতে। কয়েক দিনের জন্য যে শহর, যে পাড়া, যে বাড়ি আনন্দে ভরে উঠেছিল, সেখানে আবার ফিরে আসছে চেনা দৈনন্দিনতা। অথচ মনের মধ্যে রয়ে যাচ্ছে একটা শূন্যতা। এই বিদায়ের মধ্যে শুভ কোথায়? এই বিচ্ছেদের মধ্যে আনন্দই বা কী?
প্রশ্নটা সহজ, কিন্তু উত্তরটা একেবারেই সহজ নয়। কারণ ‘শুভ বিজয়া’ শুধু একটি উৎসবের দিনের নাম নয়; এটি বাঙালির বিশ্বাস, আবেগ, সম্পর্ক, স্মৃতি এবং ফিরে পাওয়ার আশার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এক গভীর সাংস্কৃতিক অনুভূতি।
বিজয়া দশমী মানেই বিসর্জন। দেবী দুর্গা তাঁর সন্তানদের নিয়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন—এটাই প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিচিত ছবি। যে মাকে আমরা কয়েক দিন ধরে ঘরের মেয়ে, পরিবারের সদস্য, কখনও নিজের মা, কখনও নিজের কন্যা, কখনও আবার এক পরম আশ্রয় হিসেবে কল্পনা করেছি, তাঁকেই শেষ পর্যন্ত বিদায় জানাতে হয়।
বাঙালির দুর্গাপুজো তাই শুধু দেবীর আরাধনা নয়, ঘরের মেয়ের বাপের বাড়ি আসা এবং আবার শ্বশুরবাড়ি ফিরে যাওয়ার আবেগের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে। এই কল্পনায় রয়েছে আগমনের আনন্দ, মিলনের উচ্ছ্বাস, একসঙ্গে থাকার স্বস্তি এবং বিদায়ের বেদনা। দেবীকে ঘিরে এই পারিবারিক অনুভূতিই দুর্গাপুজোকে বাঙালির জীবনে এত আপন করে তুলেছে।
কিন্তু বিদায় মানেই কি অশুভ?
জীবনে এমন অনেক মুহূর্ত আছে, যেখানে কষ্টের মধ্যেও মঙ্গল থাকে। প্রিয় মানুষ দূরে চলে গেলে মন খারাপ হয়, কিন্তু তাঁর যাত্রা শুভ হোক—এই কামনাই তো করি। সন্তান পড়াশোনার জন্য অন্য শহরে গেলে চোখে জল আসে, তবু বলি, ভালো থেকো, ভালো করো। বিয়ের পর মেয়ে নতুন সংসারে পাড়ি দিলে বাবা-মায়ের বুক খালি হয়ে যায়, তবু তাঁরা আশীর্বাদ করেন।
তাহলে মাকে বিদায় জানানোর সময় শুভেচ্ছা জানানোই বা অন্যায় হবে কেন?
‘শুভ বিজয়া’ হয়তো মাকে বিদায় দেওয়ার আনন্দ নয়। বরং বিদায়ের মধ্যেও তাঁর মঙ্গল কামনা, নিজের জীবনে শুভ শক্তির প্রত্যাশা এবং আগামী দিনে আবার মিলিত হওয়ার আশ্বাস।
বিসর্জনের সময় নদীর জলে প্রতিমা মিশে যায়। মাটির কাঠামো, রং, অলংকার—সবই একসময় প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যায়। চোখের সামনে দৃশ্যমান প্রতিমা আর থাকে না। কিন্তু মানুষের বিশ্বাসে মা কি সত্যিই চলে যান?
দুর্গাপুজোর সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য সম্ভবত এখানেই। প্রতিমা বিসর্জিত হয়, কিন্তু ভক্তির বিসর্জন হয় না। ঢাক থামে, কিন্তু মায়ের কথা থামে না। প্যান্ডেল খালি হয়, কিন্তু স্মৃতির মধ্যে মায়ের উপস্থিতি থেকে যায়। যে মানুষটি পুজোর দিনগুলিতে মণ্ডপে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেছেন, যিনি মায়ের সামনে নিজের দুঃখের কথা বলেছেন, যিনি নিঃশব্দে সুস্থতা, শান্তি কিংবা পরিবারের মঙ্গল চেয়েছেন—বিসর্জনের পরও তাঁর সেই বিশ্বাস শেষ হয়ে যায় না।
আমরা হয়তো বলি, মা কৈলাসে ফিরে গেলেন। কিন্তু একই সঙ্গে বিশ্বাস করি, তিনি আমাদের হৃদয়েও রয়ে গেলেন। এই দুই অনুভূতির মধ্যে কোনও বিরোধ নেই। একটি ধর্মীয় কল্পনার ভাষা, অন্যটি ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ভাষা।
তাই ‘বিদায় মা’ কথাটির মধ্যে বিচ্ছেদ আছে ঠিকই, কিন্তু চিরবিদায়ের ঘোষণা নেই। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ফিরে আসার অপেক্ষা—“আসছে বছর আবার হবে।”
বিসর্জনের মিছিল থেকে ভেসে আসে পরিচিত আওয়াজ—“আসছে বছর আবার হবে।” কথাটি শুনতে খুব সাধারণ। কিন্তু এর ভিতরে লুকিয়ে আছে মানুষের এক চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা: যা চলে যাচ্ছে, তা যেন আবার ফিরে আসে।
আমরা জানি, আগামী বছর ঠিক একই প্রতিমা, একই প্যান্ডেল, একই মানুষ, একই সময়, একই পরিস্থিতি ফিরে আসবে না। গত বছরের মতো এই বছরও হবে না, এই বছরের মতো আগামী বছরও হবে না। অনেক মানুষ হয়তো পরের পুজো পর্যন্ত আমাদের পাশে থাকবেন না। অনেক সম্পর্ক বদলে যাবে, অনেক স্মৃতি নতুন স্মৃতির জায়গা করে দেবে। জীবন তার নিজের নিয়মে এগিয়ে যাবে।
তবু আমরা বলি, “আসছে বছর আবার হবে।”
এই কথার মধ্যে রয়েছে হারিয়ে যাওয়াকে মেনে নেওয়ার শক্তি। রয়েছে ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর সাহস। রয়েছে নিজের অজান্তেই একটি প্রতিশ্রুতি—আজ যে আনন্দ শেষ হচ্ছে, তাকে আমরা আবার ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করব।
দুর্গাপুজো আমাদের শেখায়, কোনও আনন্দকে চিরকাল ধরে রাখা যায় না। কিন্তু সেই আনন্দের স্মৃতি, তার সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্ক এবং আবার মিলিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা বেঁচে থাকতে পারে।
সেই অর্থে, “আসছে বছর আবার হবে” শুধু পুজোর স্লোগান নয়; এটি জীবনেরও কথা।
এবার ফিরে আসা যাক মুঠোফোনের কথায়। বিজয়ার দিনে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আসে। কেউ লেখেন, “শুভ বিজয়া ও প্রীতি-শুভেচ্ছা।” কেউ পাঠান প্রণাম, ভালোবাসা আর আশীর্বাদের বার্তা। অনেকেই বছরের অন্য সময়ে যোগাযোগ না রাখলেও বিজয়ার দিনে খোঁজ নেন। ফোনের ওপারে শোনা যায় পরিচিত কণ্ঠস্বর—“কেমন আছ? বাড়ির সবাই ভালো তো?”
এই ছোট্ট কথোপকথনেরও মূল্য আছে। কারণ বাঙালির কাছে বিজয়া শুধু দেবীকে বিদায় দেওয়ার দিন নয়, মানুষের সঙ্গে মানুষের দূরত্ব কমানোর দিনও। প্রণাম, কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ, বয়োজ্যেষ্ঠদের আশীর্বাদ এবং ছোটদের স্নেহ—সব মিলিয়ে এটি সম্পর্ককে নতুন করে ছুঁয়ে দেখার উপলক্ষ।
কিন্তু সমস্যা তৈরি হয় তখন, যখন শুভেচ্ছা নিছক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। একটি বার্তা পাঠিয়ে দায়িত্ব শেষ, একটি ছবি শেয়ার করে সম্পর্কের কর্তব্য সম্পন্ন—এমন হলে উৎসবের গভীর অনুভূতিটা কোথাও হারিয়ে যায়।
‘শুভ বিজয়া’ বলার অর্থ যদি শুধু একটি এসএমএস পাঠানো হয়, তাহলে সেই শব্দের অন্তর্নিহিত মানবিকতা কোথায়? শুভেচ্ছা কি কেবল ক্যালেন্ডারের নির্দিষ্ট দিনে পাঠানোর জন্য, নাকি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতিও তার মধ্যে থাকা উচিত?
বিজয়ার দিনে যে মানুষটিকে আমরা প্রণাম করি, বছরের অন্য সময়ে তাঁর খোঁজ নিই তো? যাঁকে বলি ভালো থেকো, তাঁর বিপদের দিনে পাশে থাকার চেষ্টা করি তো? যে সম্পর্কের জন্য শুভকামনা জানাই, সেই সম্পর্কের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব পালন করি তো?
প্রশ্নগুলি অস্বস্তিকর হতে পারে। কিন্তু উৎসবের প্রকৃত অর্থ বুঝতে গেলে এই প্রশ্নগুলির মুখোমুখি হওয়া জরুরি।
আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় ‘শুভ’ শব্দটি প্রায়ই আনন্দ, সাফল্য কিংবা সুখের সঙ্গে জুড়ে যায়। কিন্তু শুভর অর্থ তার চেয়েও বড়। শুভ মানে মঙ্গল, কল্যাণ, শান্তি, ভালো থাকার কামনা। কোনও ঘটনার মধ্যে বিষাদ থাকলেই তা অশুভ হয়ে যায় না।
বিজয়া দশমীর মধ্যে আনন্দ ও বেদনা পাশাপাশি থাকে। একদিকে প্রতিমা বিসর্জনের বিষাদ, অন্যদিকে নতুন করে জীবন শুরু করার প্রত্যয়। একদিকে উৎসবের শেষ, অন্যদিকে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার সুযোগ। একদিকে মায়ের বিদায়, অন্যদিকে তাঁর কাছে করা প্রার্থনা নিয়ে আগামী দিনের পথে হাঁটা।
এই দ্বৈত অনুভূতিই বাঙালির উৎসব-সংস্কৃতিকে গভীরতা দিয়েছে।
তাই ‘শুভ বিজয়া’ বলতে আমরা হয়তো বোঝাতে চাই—বিদায়ের এই মুহূর্তেও তোমার জীবন শুভ হোক। তোমার পরিবার ভালো থাকুক। তোমার মনে শান্তি থাকুক। যে বাধা তোমার সামনে রয়েছে, তা অতিক্রম করার শক্তি পাও। আগামী দিনগুলি যেন আরও সুন্দর হয়।
অর্থাৎ, দিনটি বিষাদের হলেও কামনাটি মঙ্গলের।
প্রচলিত বিশ্বাসে দেবী দুর্গার কৈলাসে প্রত্যাবর্তন পুজোর সমাপ্তির প্রতীক। কিন্তু প্রকৃতির দিকে তাকালে দেখা যায়, সমাপ্তি ও সূচনা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। একটি ঋতু শেষ হয়, অন্য ঋতু আসে। একটি দিন অস্ত যায়, পরের দিন সূর্য ওঠে। একটি অধ্যায় শেষ হয়, নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
দুর্গাপুজোর আগমন ও বিসর্জনের মধ্যেও সেই চক্রাকার জীবনের প্রতীক খুঁজে পাওয়া যায়। মায়ের আগমন আমাদের আনন্দ দেয়, তাঁর বিদায় আমাদের অপেক্ষা করতে শেখায়। আর অপেক্ষার মধ্যেই থাকে প্রত্যাবর্তনের আশা।
আমরা যদি বিসর্জনকে কেবল হারিয়ে ফেলার ঘটনা হিসেবে দেখি, তাহলে বিষাদই বড় হয়ে উঠবে। কিন্তু যদি তাকে বার্ষিক পুনর্মিলনের একটি পর্যায় হিসেবে দেখি, তাহলে বিদায়ের মধ্যেও আশার আলো খুঁজে পাওয়া যায়।
অবশ্য প্রত্যেক মানুষের বিশ্বাস এক নয়। কেউ ধর্মীয় ব্যাখ্যায় সান্ত্বনা পান, কেউ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে অর্থ খুঁজে পান, আবার কেউ এই সময়টিকে পরিবারের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলির স্মৃতি হিসেবে দেখেন। সব অনুভূতিরই নিজস্ব জায়গা আছে।
দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে আমরা নতুন পোশাক পরি, আলো দেখি, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাই। পুজোর আনন্দে অনেক সময় ভুলে থাকি দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি। কিন্তু উৎসব শেষ হলে সেই জীবনের কাছেই আবার ফিরে যেতে হয়।
এবার প্রশ্ন, পুজোর আনন্দ থেকে আমরা কী নিয়ে ফিরব?
শুধু ছবি, ভিডিও, নতুন পোশাকের স্মৃতি কিংবা মণ্ডপের ঝলমলে দৃশ্য? নাকি একটু বেশি সহমর্মিতা, একটু বেশি ভালোবাসা, আর মানুষের পাশে থাকার নতুন অঙ্গীকার?
যে পুজো আমাদের মায়ের কাছে মাথা নত করতে শেখায়, সেই পুজো যদি আমাদের মানুষের দুঃখের সামনে দাঁড়াতে না শেখায়, তবে উৎসবের শিক্ষা কোথাও অসম্পূর্ণ থেকে যায়। যে বিজয়া আমাদের শুভেচ্ছা জানাতে শেখায়, সেই বিজয়া যদি অভিমান ভাঙাতে, দূরত্ব কমাতে এবং সম্পর্ককে নতুন করে গড়তে সাহায্য করে, তবেই তার সামাজিক তাৎপর্য পূর্ণতা পায়।
বিজয়ার দিনে তাই শুধু মায়ের বিদায় নিয়ে কাঁদলে হবে না। মায়ের আদর্শ বলে আমরা যে শক্তি, সাহস, মমতা ও ন্যায়ের কথা বলি, সেগুলি নিজেদের জীবনেও কতটা পালন করছি, তা ভেবে দেখা দরকার।
ফোনে আবার একটি বার্তা এল—“শুভ বিজয়া। আসছে বছর আবার হবে।”
এক মুহূর্তের জন্য হয়তো মনটা খারাপ হয়ে গেল। মনে পড়ল, আর ঢাক বাজবে না, আর সন্ধ্যায় মণ্ডপে যাওয়া হবে না, আর পরিচিত মুখগুলির সঙ্গে সেইভাবে দেখা হবে না। মা আবার কৈলাসে ফিরে গেলেন—প্রচলিত বিশ্বাসের ভাষায় এটাই বিদায়ের মুহূর্ত।
তবু বার্তাটির দিকে তাকিয়ে মনে হয়, এর মধ্যে শুধু বিদায় নেই। রয়েছে আগামী দিনের জন্য শুভকামনা, আবার দেখা হওয়ার আশা এবং জীবনের চলার পথে একে অন্যের পাশে থাকার আহ্বান।
‘শুভ বিজয়া’ তাই হয়তো বিদায়ের আনন্দ নয়; বিদায়ের মধ্যেও মঙ্গল কামনা করার নাম। আর “আসছে বছর আবার হবে” মানে শুধু আগামী বছরের পুজো নয়—আজ যে ভালোবাসা, সম্পর্ক ও আনন্দের বীজ বুনে গেলাম, আগামী দিনেও তাকে বাঁচিয়ে রাখার প্রতিশ্রুতি।
মা কৈলাসে ফিরে যান—বিশ্বাসের এই ছবিতে তাঁর যাত্রা শেষ হয়। কিন্তু মানুষের মনে তাঁর জন্য প্রার্থনা শেষ হয় না। প্রতিমা বিসর্জিত হয়, কিন্তু মঙ্গলকামনা বিসর্জিত হয় না।
তাই বিজয়ার দিনে চোখে জল থাকলেও শুভেচ্ছা জানাতে দ্বিধা কিসের?
বলুন, শুভ বিজয়া। ভালো থেকো। সবাইকে ভালো রেখো। আর আগামী বছর যখন আবার ঢাক বাজবে, তখন যেন আমরা আরও একটু ভালো মানুষ হয়ে মায়ের সামনে দাঁড়াতে পারি।
আসছে বছর আবার হবে—শুধু পুজো নয়, নতুন করে ভালোবাসার, সম্পর্ক জোড়ার এবং মানবিক হয়ে ওঠারও।