নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: কলাবউ স্নান ও নবপত্রিকা প্রবেশের মধ্য দিয়ে সূচিত হলো মহাসপ্তমীর শুভারম্ভ। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই পুণ্যতিথিতে মা দুর্গার চরণে শতকোটি প্রণাম জানিয়ে সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করলেন অগ্নিমিত্রা পাল। মহাসপ্তমীর পবিত্র মুহূর্তে তাঁর এই শুভেচ্ছাবার্তায় উঠে এল বাংলার মানুষের মঙ্গলকামনা এবং দুর্গোৎসবের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার কথা।
দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার হলো নবপত্রিকা স্নান ও প্রবেশ। সপ্তমীর সকালে প্রচলিত রীতি মেনে কলাবউ স্নানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পুজোর বিশেষ পর্ব। এরপর নবপত্রিকাকে মণ্ডপে প্রবেশ করিয়ে যথাযথ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুজো করা হয়। এই প্রাচীন রীতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।
মহাসপ্তমীকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পুজো মণ্ডপে সকাল থেকেই ভক্তদের সমাগম দেখা যায়। ঢাকের বাদ্যি, শঙ্খধ্বনি, মন্ত্রোচ্চারণ এবং পুজোর আনুষ্ঠানিকতায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। দেবী দুর্গার আরাধনার মধ্য দিয়ে মানুষ পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনদের মঙ্গল কামনা করেন।
অগ্নিমিত্রা পাল তাঁর শুভেচ্ছাবার্তায় মা দুর্গার আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠার প্রার্থনা জানিয়েছেন। দুর্গোৎসবের এই শুভক্ষণে মানুষের জীবনে আনন্দ, সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও সৌভাগ্য আসুক—এমনই কামনা তাঁর বার্তায় প্রতিফলিত হয়েছে।
মহাসপ্তমীর এই পুণ্যতিথিতে বাংলার ঘরে ঘরে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক, মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক এবং সকলের জীবন মঙ্গলময় হয়ে উঠুক—এই প্রার্থনাতেই মুখরিত দুর্গোৎসবের আবহ।
মহাসপ্তমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে অগ্নিমিত্রা পালের বার্তা: মা দুর্গার আশীর্বাদে সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।