নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: শারদোৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা এলাকা। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে চলছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি এবং উৎসবের প্রস্তুতি। সেই আবহেই আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার ৪ নম্বর মণ্ডলের অধীন ‘অগ্রাধিকার চেলোদ শাখা’ ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসবের পরিবেশ। এই অনুষ্ঠানের কিছু বিশেষ মুহূর্ত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তাঁর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে পুজো উদ্যোক্তা, ক্লাবের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। দুর্গাপুজোর শুভ সূচনাকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়।
দুর্গাপুজো বাংলার অন্যতম বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই উৎসব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সম্প্রীতি এবং সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। পাড়ায় পাড়ায় পুজো মণ্ডপ তৈরি, প্রতিমা দর্শন, আলোকসজ্জা এবং নানা সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।
আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার ৪ নম্বর মণ্ডলের চেলোদ শাখা ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও সেই উৎসবের আবহকে সামনে নিয়ে এসেছে। ক্লাবের সদস্যদের উদ্যোগে পুজোকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের অংশগ্রহণ এবং উৎসাহ শারদোৎসবের সামাজিক গুরুত্বকে তুলে ধরে।
পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলের উপস্থিতি অনুষ্ঠানের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর অংশগ্রহণকে ঘিরে স্থানীয় স্তরে আগ্রহ তৈরি হয়। দুর্গাপুজোর মতো সামাজিক উৎসবে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের উপস্থিতি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের একটি সুযোগও তৈরি করে।
তবে অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর বক্তব্য, পুজো কমিটির সঙ্গে তাঁর আলোচনা কিংবা কোনও বিশেষ ঘোষণা হয়ে থাকলে, সেই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে প্রতিবেদনে যুক্ত করা যেতে পারে।
আসানসোল শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত হলেও দুর্গাপুজোর সময় এখানকার বিভিন্ন এলাকা উৎসবের রঙে সেজে ওঠে। পুজো কমিটিগুলির প্রস্তুতি, মণ্ডপসজ্জা এবং দর্শনার্থীদের সমাগমে তৈরি হয় বিশেষ পরিবেশ। স্থানীয় স্তরে এই ধরনের আয়োজন এলাকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে মিলনমেলার আবহ তৈরি করে।
চেলোদ শাখা ক্লাবের দুর্গাপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সেই বৃহত্তর শারদোৎসবেরই একটি অংশ। পুজোকে কেন্দ্র করে আগামী দিনগুলিতে এলাকার বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
দুর্গাপুজো মানেই নতুন আনন্দ, নতুন আশা এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার মুহূর্ত। পুজো কমিটি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্মিলিত উদ্যোগেই প্রতিটি পুজো সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়। আসানসোল দক্ষিণের চেলোদ শাখা ক্লাবের পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও সেই উৎসবের আনন্দকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পলের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী কর্মসূচির বিশেষ মুহূর্তগুলি ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে শারদোৎসবের আনন্দ পৌঁছে যাচ্ছে আরও বেশি মানুষের কাছে।