Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
পুজোর আবহে তিলোত্তমার রাজপথে মমতা-পন্থীদের মিছিল, প্রতিবাদের রাজনীতি নাকি রাজনৈতিক বার্তা?   •   আসানসোল জেলা কার্যালয়ের ভূমিপূজন অনুষ্ঠানে অগ্নিমিত্রা পাল, নতুন পথচলার শুভ সূচনা   •   কাঁকড়ডাঙা সার্বজনীন দুর্গামন্দিরের পুজোয় অগ্নিমিত্রা পাল, শারদোৎসবে সম্প্রীতি ও জনসংযোগের বার্তা   •   পিনাট বাটার টোস্ট খাওয়ার একাধিক উপকারিতা! রক্তে শর্করার ভারসাম্য থেকে পেট ভরা রাখা—জেনে নিন পুষ্টিগুণ   •   সেপ্টেম্বর মাসে দুরন্ত পারফরম্যান্স, পঞ্চমবার ‘আইসিসি মেনস প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ খেতাব জিতলেন শুভমন গিল!   •   অনুরাগীদের মাঝে দেবী মুখার্জি, প্রিয় অভিনেত্রীকে ঘিরে উচ্ছ্বাস বিনোদনপ্রেমীদের

ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রামনগর থানায় দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান, উপস্থিত ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা

13 Oct 2026
09:45 AM


নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক : দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে ঐক্য, সহযোগিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে রামনগর থানায় আয়োজিত হলো দুর্গাপুজো কমিটিগুলির সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন ফলতা বিধানসভার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা। দুর্গাপুজোর মতো সর্বজনীন উৎসবকে কেন্দ্র করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার বার্তা তুলে ধরেন তিনি।

দুর্গাপুজো বাংলার অন্যতম প্রধান উৎসব। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এই উৎসবকে ঘিরে গড়ে ওঠে সামাজিক মিলন, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং মানুষের সঙ্গে মানুষের নিবিড় যোগাযোগ। পাড়ায় পাড়ায় পুজো কমিটিগুলির উদ্যোগে আয়োজিত হয় নানা অনুষ্ঠান। সেই সঙ্গে পুজোর দিনগুলিতে বহু মানুষের কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় অর্থনীতিরও প্রসার ঘটে। তাই দুর্গাপুজো কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদান প্রদানের কর্মসূচি উৎসবের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

রামনগর থানায় আয়োজিত এই অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে দেবাংশু পান্ডা ঐক্য ও সম্প্রীতির গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর ছিল—সমাজের উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক সহযোগিতা এবং মানুষের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। উৎসবকে কেন্দ্র করে যেন কোনও বিভেদ নয়, বরং মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়, সেই বার্তাই সামনে আসে তাঁর বক্তব্যে।

দুর্গাপুজোকে ঘিরে সহযোগিতার বার্তা

দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির ক্ষেত্রে পুজো কমিটিগুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মণ্ডপ নির্মাণ, প্রতিমা তৈরি, আলোকসজ্জা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিতে হয় উদ্যোক্তাদের। সরকারি অনুদান পুজো আয়োজনের ক্ষেত্রে কমিটিগুলিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। পাশাপাশি, প্রশাসন ও পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখাও উৎসব পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

রামনগর থানার এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ ও সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। উৎসবের দিনগুলিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, সাধারণ মানুষের সুবিধার দিকে নজর দেওয়া এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

ঐক্যই আগামী দিনের শক্তি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার পর সামাজিক সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা দিয়ে দেবাংশু পান্ডা বলেন, “ঐক্যের বার্তা, সম্প্রীতির বন্ধন—গড়ে তুলি নতুন আগামী। রামনগর থানায় দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে ঐক্য, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করলাম। সম্প্রীতিই শক্তি, ঐক্যই আগামী।”

তাঁর এই বক্তব্যে দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় উৎসব হিসেবে নয়, বরং মানুষের মিলন ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণে দুর্গাপুজো বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে বজায় রেখে উৎসবের আনন্দ সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও এই বার্তার মধ্যে উঠে এসেছে।

উৎসবের আনন্দ পৌঁছাক সকলের কাছে

দুর্গাপুজোর সময় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অগ্নিনিরাপত্তা, যান চলাচল এবং দর্শনার্থীদের সুবিধা নিশ্চিত করা প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পুজো কমিটি, প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে এই কাজগুলি আরও সুচারুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার পুজোগুলিতে স্থানীয় মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ উৎসবের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

রামনগর থানায় দুর্গাপুজোর সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানকে ঘিরে তাই শুধু আর্থিক সহায়তার বিষয়টিই নয়, সামাজিক ঐক্য ও সহযোগিতার বার্তাও বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। ফলতা বিধানসভার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডার উপস্থিতি এবং তাঁর সম্প্রীতির বার্তা সেই ভাবনাকেই সামনে এনেছে।

সব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে রামনগরে ঐক্য, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান উঠে এল এই অনুষ্ঠানে। উৎসবের আনন্দ যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়—এই প্রত্যাশাই উঠে এসেছে বিধায়কের বক্তব্যে।