Home বিনোদন বার্তা বিনোদন বার্তা ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম বিনোদন বার্তা
BREAKING NEWS
মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য   •   ৭০তম জেলা স্কুল সাঁতার নির্বাচন প্রতিযোগিতা ২০২৬, তরুণ সাঁতারুদের উদ্যম ও প্রতিভায় মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা   •   সুন্দরবন ক্যারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬: যুব ও নারী শক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর বার্তা, তারুণ্যের জয়গানে ফলতা বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা   •   স্বাস্থ্য ভবনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ পালন, বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা শোনার উপর বিশেষ গুরুত্ব   •   কলকাতায় মহালয়ার বিশেষ অনুষ্ঠান, দেবীপক্ষের সূচনায় দেবী দুর্গার আহ্বানে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী   •   স্বাদে আহ্লাদে প্রযোজিত ‘দূরত্ব’-এর পোস্টার লঞ্চ, উপস্থিত দোলন রায় ও দীপঙ্কর দে

মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা, কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের আবহে প্রশাসনের ভূমিকা ও বাংলার দুর্গোৎসবের নতুন তাৎপর্য

10 Oct 2026
12:30 PM

সম্পাদকের কলমে:বাংলার আকাশে শরতের সাদা মেঘ, বাতাসে শিউলির গন্ধ, ভোরের অন্ধকার ভেদ করে বেজে ওঠা মহিষাসুরমর্দিনীর স্তোত্র—এই সমস্ত কিছু মিলিয়েই বাঙালির হৃদয়ে জেগে ওঠে দুর্গাপুজোর আবেগ। মহালয়া মানেই শুধু পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনা নয়, মহালয়া মানে বাঙালির মনে উৎসবের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাওয়া। পুজোর আগমনী বার্তা যখন মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করে, তখন সেই আবেগকে কেন্দ্র করে শহর কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন, প্রশাসনিক তৎপরতা এবং জনজীবনকে উৎসবমুখর করে তোলার উদ্যোগও বিশেষ গুরুত্ব পায়।

এবার মহালয়া থেকেই পুজোর সূচনা—এই ঘোষণা ঘিরে উৎসবের প্রস্তুতিকে আরও আগে থেকে মানুষের সামনে তুলে ধরার যে ভাবনা, তার মধ্যে রয়েছে বাংলার দুর্গোৎসবকে ঘিরে দীর্ঘদিনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা। তবে উৎসবের সূচনা কেবল ক্যালেন্ডারের একটি দিন নির্ধারণের বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, পুজো উদ্যোক্তাদের পরিকল্পনা, শিল্পীদের পরিশ্রম, ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক হিসাব এবং প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা।

মহালয়া: আবেগের সূচনা, উৎসবের প্রস্তুতি

বাঙালির জীবনে মহালয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। বহু পরিবারের কাছে ভোরবেলায় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনার মধ্য দিয়েই দুর্গাপুজোর আবহ শুরু হয়। সেই আবেগের সঙ্গে যখন শহরের রাস্তায় পুজোর সাজসজ্জা, আলোর রোশনাই, মণ্ডপ নির্মাণ এবং বিভিন্ন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সংযোগ ঘটে, তখন উৎসবের আনন্দ আরও ব্যাপক হয়ে ওঠে।

মহালয়া থেকে পুজোর আবহ শুরু করার ভাবনাকে তাই কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে দেখলে চলবে না। এর মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসবের আগ্রহ বাড়ে, পুজোকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগের পরিসর তৈরি হয় এবং শহরের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসে। তবে এই উৎসবের আবহ যেন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে অযথা ব্যাহত না করে, সেদিকেও সমান নজর রাখা প্রয়োজন।

কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন: উৎসবের সঙ্গে প্রশাসনের যোগসূত্র

কলকাতা শুধু পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী নয়, দুর্গাপুজোর আন্তর্জাতিক পরিচিতিরও অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখানকার বড় পুজো, থিমনির্ভর মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, শিল্পীদের সৃজনশীলতা এবং দর্শনার্থীদের বিপুল সমাগম প্রতি বছরই বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। সেই কারণেই পুজোর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রশাসনিক আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন মাত্রা পায়।

একাধিক পুজোর উদ্বোধন নিছক ফিতে কাটা বা প্রদীপ জ্বালানোর অনুষ্ঠান নয়। এর মধ্য দিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম স্বীকৃতি পায়, স্থানীয় শিল্পীদের কাজ মানুষের সামনে আসে এবং বিভিন্ন এলাকার সাংস্কৃতিক পরিচিতি আরও দৃঢ় হয়। একই সঙ্গে প্রশাসনের সামনে তৈরি হয় একটি বড় দায়িত্ব—উৎসবের আনন্দ যেন নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নাগরিক পরিষেবার সঙ্গে সমন্বয় রেখে এগিয়ে চলে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষণাকে কেন্দ্র করে যে উৎসবের আবহের কথা উঠে এসেছে, তার বাস্তব তাৎপর্য বিচার করতে হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জৌলুসের পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রস্তুতির দিকটিও দেখতে হবে। রাজনৈতিক ঘোষণা মানুষের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে, কিন্তু সেই প্রত্যাশার সার্থকতা নির্ভর করে মাঠপর্যায়ে কাজের বাস্তবায়নের ওপর।

উৎসব শুধু আনন্দ নয়, অর্থনীতিরও বড় চালিকাশক্তি

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বাংলার অর্থনীতিতে যে বিপুল কর্মকাণ্ড তৈরি হয়, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। মণ্ডপশিল্পী, প্রতিমাশিল্পী, আলোকশিল্পী, ঢাকি, মৃৎশিল্পী, কাপড়ের দোকানদার, ফুল ব্যবসায়ী, খাবারের দোকান, ছোট ব্যবসায়ী এবং অস্থায়ী কর্মীদের জীবিকার সঙ্গে পুজোর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

মহালয়া থেকে উৎসবের আবহ আরও জোরালো হলে বাজারে কেনাকাটা, পোশাকের চাহিদা, খাবারের ব্যবসা এবং বিভিন্ন পরিষেবার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে দুর্গাপুজো বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়। কয়েক মাসের প্রস্তুতি, ধারদেনা করে দোকানে মাল তোলা কিংবা পুজোর মরশুমে বাড়তি কর্মী নিয়োগ—সবকিছুর মধ্যেই থাকে আয়ের প্রত্যাশা।

কিন্তু এই অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যেন শুধু বড় ব্যবসা বা বড় পুজো কমিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। ফুটপাতের ছোট বিক্রেতা, স্থানীয় কারিগর, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, গ্রামীণ শিল্পী এবং নিম্ন আয়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দুর্গোৎসবের অর্থনৈতিক সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে। উৎসবের সাফল্য তখনই প্রকৃত অর্থ পায়, যখন তার আনন্দের পাশাপাশি জীবিকার সুযোগও সমাজের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছয়।

প্রশাসনের কাছে বড় পরীক্ষা: নিরাপত্তা, যান নিয়ন্ত্রণ ও নাগরিক পরিষেবা

কলকাতায় পুজোর উদ্বোধন যত বাড়বে, দর্শনার্থীদের ভিড়ও তত বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও নাগরিক পরিষেবার প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বড় পুজোমণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, জরুরি নির্গমনপথ, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, অ্যাম্বুল্যান্সের প্রবেশের সুযোগ এবং পর্যাপ্ত পানীয় জলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার।

শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যানজট নিয়ন্ত্রণ, গণপরিবহণের সমন্বয়, বয়স্ক ও শিশুদের নিরাপত্তা, হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতিও অপরিহার্য। শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের অন্যান্য শহর, মফস্‌সল ও গ্রামাঞ্চলেও পুজোর সময় একই ধরনের পরিকল্পনা প্রয়োজন।

এখানেই রাজ্য প্রশাসনের প্রকৃত ভূমিকা। উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত থাকা অবশ্যই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বহন করে, কিন্তু প্রশাসনের সাফল্য মাপা হবে সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদে, স্বচ্ছন্দে এবং নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারছেন, তার ভিত্তিতে।

রাজনৈতিক উপস্থিতি বনাম মানুষের প্রত্যাশা

দুর্গাপুজো বাংলার সামাজিক জীবনের এমন একটি অংশ, যেখানে ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং রাজনৈতিক উপস্থিতি অনেক সময় একই পরিসরে এসে মেশে। পুজোর উদ্বোধনে জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। তবে উৎসবকে রাজনৈতিক প্রচারের বাইরে রেখে মানুষের মিলনমেলার ক্ষেত্র হিসেবে মর্যাদা দেওয়া গণতান্ত্রিক সমাজের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি।

রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পুজো একটি বড় জনসংযোগের ক্ষেত্র হতে পারে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে পুজোর অর্থ আরও গভীর—পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, নতুন পোশাক কেনা, প্যান্ডেল ঘোরা এবং সারা বছরের ক্লান্তির মধ্যে কয়েকটি আনন্দের দিন খুঁজে পাওয়া।

তাই যে কোনও সরকারের কাছেই উৎসব পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা, সমন্বয় এবং জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোন পুজো কত বড়, কোন মণ্ডপে কত জাঁকজমক, কিংবা কোন অনুষ্ঠানে কার উপস্থিতি—এসবের বাইরে গিয়ে দেখতে হবে সাধারণ মানুষ কী পেলেন। তাঁদের নিরাপত্তা, পরিষেবা, চলাচলের সুবিধা এবং আর্থিক স্বস্তিই হওয়া উচিত প্রশাসনিক মূল্যায়নের অন্যতম মাপকাঠি।

পরিবেশবান্ধব পুজো ও সামাজিক দায়বদ্ধতা

দুর্গাপুজোর জৌলুস বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাশয় পরিষ্কার রাখা এবং প্রতিমা নিরঞ্জনের ক্ষেত্রে পরিবেশবিধি মেনে চলা এখন সময়ের দাবি।

বড় পুজো কমিটিগুলি যদি পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়, তাহলে তার প্রভাব সাধারণ মানুষের মধ্যেও পড়বে। প্রশাসন, পুজো উদ্যোক্তা, স্বেচ্ছাসেবক এবং নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গোৎসব আরও সুন্দর ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠতে পারে।

একই সঙ্গে পুজোর আনন্দ যেন দরিদ্র পরিবার, প্রবীণ নাগরিক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছয়, সেদিকেও নজর দেওয়া দরকার। উৎসবের সামাজিক মূল্য তখনই পূর্ণতা পায়, যখন আনন্দের পরিসরে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়।

উপসংহার: ঘোষণার জৌলুস নয়, কাজের সাফল্যই শেষ কথা

মহালয়া থেকে পুজোর সূচনা এবং কলকাতায় একের পর এক উদ্বোধন—এই দুই বিষয়কে ঘিরে বাংলার উৎসবের আবহ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে মানুষের আবেগ, শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের যে বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়, তাকে আরও সুসংগঠিত ও জনমুখী করে তোলার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু মনে রাখতে হবে, উৎসবের প্রকৃত সাফল্য কেবল উদ্বোধনের সংখ্যা কিংবা মঞ্চের জৌলুসে নির্ধারিত হয় না। তার সাফল্য নির্ভর করে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারা, শিল্পী ও শ্রমজীবী মানুষের পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য দেওয়া, নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং নাগরিক পরিষেবাকে কার্যকর রাখার ওপর।

রাজনৈতিক নেতৃত্ব ঘোষণা দিতে পারে, প্রশাসন পরিকল্পনা করতে পারে, পুজো কমিটি মণ্ডপ সাজাতে পারে—কিন্তু এই সমস্ত উদ্যোগের কেন্দ্রে থাকতে হবে মানুষকে। কারণ দুর্গাপুজো কোনও একটি সরকার, কোনও একটি দল কিংবা কোনও একটি শহরের একক সম্পত্তি নয়। এটি বাংলার সম্মিলিত ঐতিহ্য, আবেগ এবং সামাজিক পরিচয়ের এক অনন্য প্রকাশ।

মহালয়ার ভোরে যখন দেবীপক্ষের সূচনা হয়, তখন বাঙালি শুধু দেবীর আগমনকেই স্বাগত জানায় না, নতুন আশা, নতুন আনন্দ এবং নতুন সম্ভাবনাকেও আহ্বান করে। সেই আহ্বান যেন বাস্তব জীবনের উন্নতি, নিরাপত্তা, সম্প্রীতি এবং অর্থনৈতিক স্বস্তির মধ্যেও প্রতিফলিত হয়—এটাই হওয়া উচিত এবারের দুর্গোৎসবকে ঘিরে প্রশাসন ও সমাজের কাছে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

সম্পাদকীয় মত: দুর্গোৎসবের প্রকৃত সার্থকতা উদ্বোধনের জাঁকজমকে নয়, মানুষের আনন্দ, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং সর্বজনীন অংশগ্রহণে। ঘোষণার পর সেই প্রত্যাশাকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই প্রশাসনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।