Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে সম্পাদকিয় কলম
BREAKING NEWS
সেবা সংকল্প অভিযানে রক্তদান শিবির, উন্নয়ন ভবনে মানবিক উদ্যোগ   •   বড় আয়োজন নয়, শিশুদের মুখের হাসিই উৎসবের সেরা উপহার: দেবাংশু পাণ্ডা   •   পলি গ্রিনহাউসে উচ্চমূল্যের ফসল চাষে সরকারি সহায়তা, কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা   •   ভোট দেওয়ার পরেই আটক হুমায়ুন কবীর, রেজিনগরে উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা   •   রাজ্যসভা নির্বাচন: প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে নতুন আলোচনার সূত্রপাত   •   বর্ষা বিদায় শুরু, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বর্ষা সরে যাওয়ার সম্ভাবনা

বড় আয়োজন নয়, শিশুদের মুখের হাসিই উৎসবের সেরা উপহার: দেবাংশু পাণ্ডা

06 Oct 2026
05:08 AM

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে উৎসবের আবহে শিশুদের হাতে উপহার তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভাগ কনভেনার দেবাংশু পাণ্ডা। বড় কোনও আয়োজনের পরিবর্তে ছোট্ট শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্য দিয়েই উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার বার্তা দিলেন তিনি।

উৎসব মানেই শুধু আলো, সাজসজ্জা কিংবা বড় আয়োজন নয়—সমাজের ছোটদের মুখে হাসি ফোটানোও হতে পারে উৎসব উদযাপনের অন্যতম সুন্দর মাধ্যম। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই ডায়মন্ড হারবারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট্ট বন্ধুদের হাতে উৎসবের উপহার তুলে দেওয়া হয়। উপহার হাতে পেয়ে শিশুদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে গোটা পরিবেশ।

এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে দেবাংশু পাণ্ডা বলেন, “বড় বড় আয়োজন নয়, শিশুদের মুখের এক টুকরো হাসিই আমার কাছে উৎসবের সবচেয়ে বড় উপহার।” তাঁর কথায়, শিশুদের আনন্দের মুহূর্তই আগামী দিনের সমাজ গড়ার অনুপ্রেরণা। তাদের মুখের হাসির মধ্যেই ভবিষ্যতের উন্নয়নের শক্তি খুঁজে পাওয়া যায়।

অনুষ্ঠানে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি তাঁদের হাতে উৎসবের উপহার তুলে দেওয়া হয়। ছোট্ট বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকাতেও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও এই উদ্যোগ নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়।

দেবাংশু পাণ্ডা আরও বলেন, সমাজের প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার পরিবেশ আনন্দময় ও নিরাপদ হওয়া দরকার। উৎসবের আনন্দ তখনই আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন সেই আনন্দ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া যায়। বিশেষ করে শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো এবং তাঁদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়া সামাজিক দায়বদ্ধতারও একটি অংশ বলে তিনি মনে করেন।

ডায়মন্ড হারবারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই কর্মসূচির মাধ্যমে সেই সামাজিক বার্তাই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিতে চেয়েছেন বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভাগ কনভেনার।

শিশুদের হাতে উপহার তুলে দেওয়ার পর তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটান দেবাংশু পাণ্ডা। শিশুদের হাসি, আনন্দ এবং উৎসবের আবহকে ঘিরে তৈরি হয় আন্তরিক পরিবেশ। ছোটদের এই আনন্দের মুহূর্তকেই তিনি আগামী দিনের ইতিবাচক পরিবর্তনের শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

তাঁর বক্তব্যের মূল সুর—উৎসবের প্রকৃত আনন্দ শুধুমাত্র বড় আয়োজন বা জাঁকজমকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক, শিশুদের মুখে হাসি এবং সমাজের জন্য কিছু করার মানসিকতাই উৎসবকে আরও অর্থবহ করে তুলতে পারে।

ডায়মন্ড হারবারের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের এই উদ্যোগ সেই ভাবনারই একটি প্রতিফলন। শিশুদের হাতে উপহার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর কথায়, “এই হাসিই আমাদের আগামী দিনের উন্নয়নের শক্তি।”