Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
নদীর চর কি সুন্দরবনবাসীর আশীর্বাদ, নাকি অভিশাপ? মুড়িগঙ্গা ও গোসাবার দুর্ঘটনা ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন   •   মগরাহাট পশ্চিমে রাজবল্লভপুর বাজারের বিজেপি কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শুনলেন দলীয় কার্যকর্তারা   •   জিও আইপিও ঘিরে আগ্রহ, টেলিকম পরিষেবার বাইরেও বিস্তৃত ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের সম্ভাবনা   •   নিয়ামতপুর বাজারে ফুড সেফটি দফতর ও পুলিশের যৌথ অভিযান, ফেলে দেওয়া হল মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলা ও রং মেশানো খাবার   •   আমতা-২-এর ‘লক্ষ্মীগ্রাম’ খালনায় ঐতিহ্যবাহী কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর উদ্বোধন, উপস্থিত মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ও লকেট চট্টোপাধ্যায়   •   দাসপুরের সাগরপুরে ৭৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মীপুজো ও শারদ মেলার উদ্বোধন, উপস্থিত পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ

বদলি হলেও পিএইচডিতে প্রভাব পড়বে না, গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

10 Sep 2026
12:26 PM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক:  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বদলি নিয়ে প্রস্তাবিত নতুন আইন ঘিরে তৈরি হওয়া প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে পিএইচডি গবেষকদের বিষয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, কোনও শিক্ষক বদলি হলেও সংশ্লিষ্ট গবেষক ছাত্রছাত্রীদের পিএইচডি বা গবেষণার কাজে এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনিক প্রয়োজনে বদলির যে বিধান আইনে রাখা হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য প্রতিটি শিক্ষককে বদলি করা নয়। এটি একটি ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট প্রশাসনিক প্রয়োজনেই প্রয়োগ করা হবে।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনও শিক্ষক বদলি হলে তাঁর অধীনে গবেষণারত ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। একইসঙ্গে তাঁদের গবেষণার ধারাবাহিকতা যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হবে।

ফলে প্রস্তাবিত বদলি নীতি কার্যকর হলেও পিএইচডি গবেষকদের গবেষণা মাঝপথে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গবেষক ও উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্তদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাঁর বক্তব্য।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বদলির সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে সংশোধনী বিল আনার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই বিল ঘিরেই শিক্ষক মহল ও গবেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যে সেই উদ্বেগের কিছুটা অবসান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।