Home ফ্যাক্ট ফাইল পঞ্চায়েতের পাঁচ কাহন পৌর বার্তা জেলার চালচিত্র চাষী ভাই বলছি শরীর স্বাস্থ্য জেলার সেনাপতি মাঠে ময়দানে বিনোদন সম্পাদকীয় কলম
BREAKING NEWS
রাতের খাবারের পর কী পান করছেন? ঘুমের গুণমান বাড়াতে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ, জেনে নিন কোন পানীয় উপকারী   •   দীর্ঘস্থায়ী শক্তি পেতে সকালের নাস্তায় খেতে পারেন ৬ ধরনের স্বাস্থ্যকর মাংস, জেনে নিন পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা   •   চোরবাগানে ঠাকুর দেখতে গিয়ে আর ফেরা হলো না স্নেহার, শোকে পাথর বিষ্ণুপুরের এগারো গ্রাম   •   উৎসবের ভিড়ে দুর্ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তার দাবি, সতর্কবার্তা দিলীপ ঘোষের   •   সল্টলেকের এফ ডি ব্লকের পুজো মণ্ডপে ‘শ্বেতকালী ২’-এর প্রচার, অনিন্দ্য ও পরিচালকের বক্তব্য ঘিরে আগ্রহ   •   পুজোর আনন্দে সাময়িক বাধা বৃষ্টি! হাওড়া, হুগলি, কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত

আপনার জমি, আপনার দায়িত্ব—অবহেলায় জরিমানার বার্তা অগ্নিমিত্রা পালের

03 Sep 2026
06:51 AM

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, জেলার বার্তা ডেস্ক: জমি ফেলে রেখে দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না করার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর বক্তব্য, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমিতে জল জমে মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হলে তা আর শুধুমাত্র জমির মালিকের ব্যক্তিগত বিষয় থাকে না—এর সঙ্গে সরাসরি জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি জড়িয়ে যায়।

অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য, জমির মালিকদের নিজেদের জমি নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোনওভাবেই যাতে জল জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে বর্ষাকালে জমে থাকা জলে মশার বংশবিস্তার হলে ডেঙ্গু-সহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আপনার জমি, আপনার দায়িত্ব।” জমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না করলে এবং সেখানে জল জমে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হলে সংশ্লিষ্ট জমির মালিকের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য অনুযায়ী, নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট জমির মালিককে সরকারকে জরিমানা দিতে হতে পারে। তাঁর দাবি, নাগরিকদের নিজেদের সম্পত্তির পাশাপাশি এলাকার স্বাস্থ্য ও পরিবেশের প্রতিও দায়িত্বশীল হতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাঁর বার্তা, বাড়ি বা জমির আশপাশে জল জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।